ক্রেডিট ইউনিয়ন: উন্নয়ন ও খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব গঠনের পরীক্ষিত হাতিয়ার- সুক্লেশ জর্জ কস্তা

প্রতিটি দেশ, সমাজ ও ব্যক্তি উন্নয়ন প্রত্যাশী। উন্নয়নকামী মানুষ সর্বদা ব্যস্ত থাকে পরিবর্তন আনয়নে। এ প্রচেষ্টায় কখনো সে সফল হয় কখনোবা ব্যর্থতায় পর্যবেষিত হয়। কিন্তু উন্নয়ন প্রচেষ্টা থেমে থাকে না। ২০০৭ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিক থেকে সারা পৃথিবী তিনটি ঋ -এর সংকট মোকাবেল করছে । আর এ তিনটি হলো Fuel, Food এবং Finance। তাই বর্তমানেও বিশ্ব মন্দায় আক্রান্ত। যা প্রমাণ করে উন্নয়ন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে জড়িত নয় এবং এটি সরল রেখায় চলে না। এর সাথে নেতৃত্ব, গঠন, সামগ্রিক প্রচেষ্টা ও এ্যপ্রোচ গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক ও অনুসঙ্গ। আর ক্রেডিট ইউনিয়ন একটি পরীক্ষিত হাতিয়ার যার সাথে উলি­খিত অনুষঙ্গগুলো ওতোপ্রতোভাবে জড়িত।

উন্নয়ন হলো মানুষ ও সমাজ পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া, যার মূল লক্ষ্য মানব জীবনের গুণগত পরিবর্তন আনয়ন ও সামাজিক ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা। কাজেই, প্রকৃত উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হলো মানুষ ও মানুষের কল্যাণ সাধনকে ঘিরে। এটাই উন্নয়নের যথার্থ মাপকাঠি। “উন্নয়ন হচ্ছে শান্তির নতুন নাম।” আর এ ধরণের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্রেডিট ইউনিয়ন নিম্নোক্ত ভূমিকা রাখছে।

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ক্রেডিট ইউনিয়নের ভূমিকাঃ

১. ক্ষমতায়ন করা: সমাজ কাঠামোগত কারণে সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক গরীব ও পিছিয়েপড়া। তারা দরিদ্রতা, অসহায়ত্ব ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার। ক্ষমতাশালীদের সীমাহীন লোভের কারণে “সামাজিক ক্ষত” ও “কাঠামোগত পাপ” বাড়ছে। বাড়ছে মানুষের মাঝে ব্যবধান, শোষণ, বর্ণ-বৈষম্য ও অধিকারহীনতা। দরিদ্রের সংখ্যা ও দারিদ্রের ব্যাপকতা বাড়ছে। কারণ তারা ক্ষমতাহীনঃ চিন্তা, বাক্ ও সাংগঠনিক ক্ষমতা হারা। কাজেই, সেই হারানো ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা উন্নয়নের লক্ষ্য, যাকে “ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া” (Empowerment process) বলা চলে। ক্রেডিট ইউনিয়ন এ সকল বঞ্চিত মানুষকে সংগঠিত করণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করছে।

২. উন্নয়ন বাঁধাসমূহ চিহ্নিতকরণ ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণঃ বর্তমান জগতের পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক পরস্পর বিরোধী রাজনৈতিক মতবাদ, সামরিক ও আমলাতন্ত্রের ব্যয়ভার, ধনীদেশ ও লোকদের স্বার্থপরতানীতি, ধনীদেশের যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবসা, গরীবদেশের মুষ্টিমেয় লোকের ভোগবিলাসিতার মোহ, ধনী ও ক্ষমতাবানদের স্বার্থরক্ষাকারী আইন ও ব্যবস্থা, জনসংখ্যা বিষ্ফোরণ উন্নয়নের মৌলিক বাঁধা। বাঁধাসমূহের কারণ শুধু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নয়; নৈতিকও। অতিরিক্ত লাভের ক্ষুধা ও ক্ষমতার মোহ মানব উন্নয়নের বাঁধা সৃষ্টি করে। ক্রেডিট ইউনিয়ন মানুষের সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশা-পাশি নৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চলমান রাখে।

৩. বহুমুখী আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে “অংশগ্রহণ” বাড়ানোঃ গরীব ও ক্ষমতাহীন লোকদের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য বহুমুখী আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে তাদের “অংশগ্রহণ” বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ সমস্ত কার্যক্রমের সফলতা নির্ভর করে কাজের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন পর্যায় লক্ষিত লোকদের অংশগ্রহণের উপর। কারণ উন্নয়ন অন্যে এনে দিতে পারে না, তা নিজেই অর্জন করতে হয়। সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগোষ্ঠী যতবেশী অংশগ্রহণের সুযোগ পায় ততই সিদ্ধান্তগুলো তাদের স্বপক্ষে যায়। ক্রেডিট ইউনিয়ন ব্যক্তিগত ও যৌথ প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে সদস্যদের বহুমুখী আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে “অংশগ্রহণ” বৃদ্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে।

৪. মানবিক ও বস্তুগত সম্পদের সমন্বয় সাধনঃ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন মানবিক ও বস্তুগত সম্পদের সমন্বয় এবং উন্নয়ন কাজে প্রথমে তা ব্যবহার করা। নিয়মিত সঞ্চয় উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সঞ্চয় করা ও ঋণ প্রাপ্তি মানুষের একটি মৌলিক অধিকার। এক্ষেত্রে ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের কষ্টার্জিত টাকা জমানোর সুযোগ ও ঋণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সদস্যদের অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রেখে থাকে। অপরদিকে, একজন লোকের মানবিক সম্পদ হলো তার-(ক) আত্ম-সচেতনতা, (খ) সৃজনশীলতা ও (গ) পরিবর্তন আনয়নের আকাংক্ষা। এই তিনটি মানবিক সম্পদের সমন্বয় ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এর ফলে, মানুষ “সম্পদ লাভ করার” চেয়ে “নিজে সম্পদ -স্বরূপ-হওয়া” (Resourceful) এর উপর প্রাধান্য দেয়। ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে মানুষকে সম্পদে পরিণত করে থাকে।

৫. মানবাধিকা প্রতিষ্ঠা: ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের প্রয়োজন ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা অনুযায়ী নতুন নতুন বিকল্প প্রতিষ্ঠান/ সেবা প্রদান করে থাকে। বঞ্চিতদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ, তাদের পক্ষ নিয়ে কাজ করা এবং তাদের মানবিক মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করা অবশ্যই নৈতিক বিষয়। “ক্রেডিট ইউনিয়ন মৌলিক মানবিক প্রয়োজন ও আর্থিক উন্নয়নমূলক কাজ ও বৃহত্তর পর্যায়ে ” ইস্যু ভিত্তিক মানব-অধিকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে থাকে করণ উন্নয়নের সংঙ্গে মানব-অধিকার ও সামাজিক ন্যায্যতা ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত।

৬. যৌথ ও বিকল্প নেতৃত্বঃ ক্রেডিট ইউনিয়ন “যৌথ ও বিকল্প নেতৃত্ব” প্রক্রিয়ায় প্রাধান্য দেয়। একক নেতৃত্ব নয়; বরং লোকদের মধ্য থেকে আগ্রহী ও সক্রিয় সদস্যদের বেছে নিয়ে প্রয়োজনীয় গঠন (প্রশিক্ষণ) দানের মাধ্যমে একাধিক নেতা ক্রেডিট ইউনিয়ন তৈরী করে থাকে। যৌথ ও বিকল্প নেতৃত্ব বিশ্বাস করে “একা গড়ে না কেউ, গড়ে অনেকে মিলে”। ক্রেডিট ইউনিয়নে প্রাতিষ্ঠানিক (চেয়ার কেন্দ্রিক) ও অপ্রাতিষ্ঠানিক (ক্যাডার বা “সেবক”) উভয় নেতৃত্বই তাকে। উভয় ধরনের নেতৃত্বই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ আয়োজনের ফলে ক্রেডিট ইউনিয়নে গড়ে উঠে। তবে অপ্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বই ক্রেডিট ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রাণশক্তি।

৭. আত্মনির্ভরশীলতা বা সক্ষমতা অর্জনঃ উন্নয়ন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো লোকদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করা বা লোকদের আত্মনির্ভরশীলতা, সক্ষমতা বা পরিপক্কতা অর্জন। এ পরিপক্কতা তিনটি বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে যাচাই করা চলে ঃ তা হলো (ক) একাধিক যোগ্য নেতা, (খ) পর্যাপ্ত আর্থ-সামাজিক কার্যক্রম ও (গ) স্ব-ব্যবস্থাপনা (Self-management)|। ক্রেডিট ইউনিয়নে উলি­খিত তিনটি বৈশিষ্ট্যই লক্ষ করা যায়।
খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব ও ক্রেডিট ইউনিয়নঃ
ক্রেডিট ইউনিয়ন মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব গঠন ও বৃদ্ধির এক প্রমাণিত চারণভূমি। নিচে খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব ও তা গঠন ও বৃদ্ধিতে ক্রেডিট ইউনিয়নের ভূমিকা উলে­খ করা হলঃ

খ্রিস্টিয় নেতৃত্বঃ খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব হল জীবনদায়ী নেতৃত্ব; এখানে ব্যক্তি/অনুসারীদের প্রয়োজনে নেতা সব সময় তাদের পাশে থাকেন; স্থান কাল পাত্র বিবেচনা করা হয় না । পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে নেতা যে কোন চেলেঞ্জ গ্রহণ করে ।

জীবনদায়ী নেতৃত্বের যে গুণগুলো একান্তভাবে থাকা প্রয়োজন তা হল;-
১. ন্যায্যতার ভিত্তিতে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ
২. নমনীয় হওয়া
৩. দায়িত্ব বিকেন্দ্রীকরণ
৪. প্রয়োজন মূহূর্তে চেলেঞ্জ মোকাবেলা করা
৫. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়া
৬. তথ্য ও প্রমাণাদির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া; আবেগ দ্বারা নয়
৭. সবার প্রতি সমদৃষ্টিপাত করা
৮. প্রত্যেকের কাজের জন্য প্রশংসা করা এবং উৎসাহিত করা
৯. নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনের দিকে জনগণকে নিয়ে যাওয়া
১০. ভাল সম্পর্ক স্থাপন করা (কাজ, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান)

খ্রিস্টিয় নেতৃত্বের মৌলিক তিনটি মূল্যবোধ/নীতি রযেছে, এগুলো হলঃ
১) দূত
২) সম্পর্ক
৩) প্রেরণ

১. দূতঃ খ্রিস্টের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা ও পালন করা । যীশুর শিক্ষা অনুসারে একজন নেতার ভূমিকা হবে সেবকের ভূমিকা। – মথি ২০:২৬-২৮)
২. সম্পর্ক স্থাপনঃ জনগণের সাথে সম্পর্ক স্থাপন হ’ল খ্রিস্টিয় নেতৃত্বের একটি অন্যতম ভিত্তি যা অন্য নীতিগুলোকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে। (যোহন – ১৫:৯-১৭)
৩. প্রেরণ কাজ : যীশু যেভাবে মানুষের কাছে সুসমাচার প্রচার করে মানুষকে ঈশ্বরের পথে নিয়ে এসেছেন তেমনি খ্রিস্টান নেতার ভূমিকা . হওয়া উচিৎ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা। (ইফি ৪:১৩)

খ্রিস্টিয় নেতৃত্বেও ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া
১) ব্যক্তি/ জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ দরদ
২) অন্যদের প্রভাবিত করা
৩) নিয়ন্ত্রণ না করা কিন্তু উৎসাহিত করা
৪) আত্ম : ব্যক্তিক সম্পর্ক

বাইবেলের দৃষ্টিতে খ্রিস্টিয় নেতার ধারণা
১. যীশুর শিক্ষা অনুসারে নেতাকে সেবক অথবা সহায়কের ভূমিকা পালন করতে হবে
২. নেতা অবশ্যই ক্ষমতার জন্য নয়। অন্যদের ভালবাসা দিয়ে জয় করা এবং পবিত্র আত্মা দ্বার পরিচালিত হওয়া
৩. যীশুর ইচ্ছা হ’ল নেতৃবৃন্দ যেন নিজেরকে সেবার মাধ্যমে সমবৃদ্ধি করে এবং অন্যদেরকেও তাই করে; যীশু বলেছেন: আমি উত্তম মেষপালক —– যোহন ১০:১১; যে আমার শিষ্য হতে চায় —- মথি ১০:৩৮-৩৯

খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব গঠণে ক্রেডিট ইউনিয়নঃ খ্রিস্টিয় নেতৃত্বে বৈশিষ্ট্য, গুণ, মূল্যবোধ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ইত্যাদির চর্চা ও লালনের মাধ্যমে ক্রেডিট ইউনিয়ন নিম্নোক্তভাবে খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব গঠনে ভ’মিকা রাখছে।
১. স্থানীয় মÐলী শক্তিশালীকরণঃ স্থানীয় মÐলী শক্তিশালীকরণের অন্যতম পূর্বশর্ত হল মÐলীর কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। ক্রেডিট ইউনিয়নের সাংগঠনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি এক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে জীবনদায়ী নেতৃত্ব গঠনে অবদান রাখছে।
২. মন্ডলীতে নেতৃত্বের বিকাশ ও বিকল্প নেতৃত্ব সৃষ্টিঃ এ কথা অনস্বীকার্য যে কাথলিক মÐলীতে আজ যারা নেতৃত্বে আছেন তাদের অধিকাংশেরই নেতৃত্বের সূচনা হয়েছে ক্রেডিট ইউনিয়নের মাধ্যমে এবং এ ধারা চলমান রয়েছে। বিভিন্ন ধর্মপল্লীর আওতাভ’ক্ত ক্রেডিট ইউনিয়নসমূহ যেহেতেু মÐলীভূক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত তাই এখানে মÐলীর সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে ক্রেডিট ইউনিয়ন খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব চর্চা ও বিকাশের প্লাটফরম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে সমাজের ও মÐলীর বিভিন্ন স্তরে নতুন নতুন নেতৃত্বে সৃস্টি করছে।


৩. আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা পালনঃ ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সঞ্চানীয় মÐলীর কাঠামোগত ও আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। যার মাধ্যমে খ্রিস্টিয় নেতৃত্বের বিকাশ পাচ্ছে ও মূল্যবোধের চর্চা হচ্ছে।


৪. শিক্ষা, গঠণ ও প্রশিক্ষণ প্রদানঃ খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব শিক্ষা, গঠণ ও প্রশিক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হল ক্রেডিট ইউনিয়ন। ক্রেডিট ইউনিয়ন সদস্যদের নেতৃত্ব ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন, হিসাব সংরক্ষণ, সংগঠন গঠণ ও প্রাতিষ্ঠানিকিকরণের বিষয়ে শিক্ষা, গঠণ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে খ্রিস্টিয় নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উপসংহারঃ জনগণকে সামনের কাতারে এনে তাদের ভূমিকাকে মুখ্য করে, তাদের অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করে খ্রিস্টিয় নেতৃত্বের ও সেবার আদর্শকে সমুন্নত রেখে উন্নয়ন কর্মকান্ডকে পরিচালিত করতে হবে এবং এটা সম্ভব ক্রেডিট ইউনিয়নের মত সংগঠন গঠনের মাধ্যমে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top